1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
‘রেলওয়ে স্টেশনে যাচ্ছি’: দিল্লিতে নিখোঁজ হওয়ার আগে বাবা-মায়ের কাছে শেষ ফোন শিক্ষার্থীর - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

‘রেলওয়ে স্টেশনে যাচ্ছি’: দিল্লিতে নিখোঁজ হওয়ার আগে বাবা-মায়ের কাছে শেষ ফোন শিক্ষার্থীর

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২২৬ বার পঠিত
দিল্লিতে নিখোঁজ হওয়ার আগে বাবা-মায়ের কাছে শেষ ফোন

দিল্লির সিগনেচার ব্রিজ থেকে নিখোঁজ স্নেহার সন্ধান চলছে তত্পর!
অনলাইন ডেস্ক

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তরুণী শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে গেছেন। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম স্নেহা দেবনাথ, যিনি ত্রিপুরার বাসিন্দা। ১৯ বছর বয়সী স্নেহা গত ৭ জুলাই থেকে রহস্যময়ভাবে লাপাত্তা রয়েছেন। তাকে সর্বশেষ দেখা যায় সিগনেচার ব্রিজ এলাকায়।
স্নেহা সোমবার (৭ জুলাই) সকালে এক বন্ধুকে সরাই রোহিলা রেলওয়ে স্টেশনে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা মরিয়া হয়ে তাকে খুঁজছেন এবং সাহায্যের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার কার্যালয়ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং রাজ্য পুলিশের কাছে নির্দেশ দিয়েছেন স্নেহার সন্ধান দ্রুত পাওয়ার জন্য।
স্নেহা দেবনাথ সাবেক সেনা সদস্য, সুবেদার মেজর (অনারারি লেফটেন্যান্ট) প্রীতিশ দেবনাথের কন্যা, যিনি বর্তমানে কিডনির জটিলতায় ভুগছেন এবং ডায়ালাইসিসে আছেন।

পরিবারের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্নেহা ৭ জুলাই তার মাকে বলেছিলেন, তিনি ভোর ৬:৪৫ মিনিটের ট্রেনে তার বন্ধুকে সরাই রোহিলা রেলস্টেশনে নামিয়ে দেবেন। তার মায়ের সাথে তার শেষ ফোন যোগাযোগ হয় ভোর ৫:৫৬ মিনিটে। পরে ৮:৪৫ মিনিটে পরিবারের ফোনে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, বন্ধুটি সেদিন সকালে স্নেহার সঙ্গে দেখা করেনি। ক্যাব ড্রাইভারের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা গেছে, স্নেহাকে সরাই রোহিলা স্টেশনে না নামিয়ে সিগনেচার ব্রিজে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর ছিল না।

জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী স্নেহা যেখান থেকে শেষ দেখা গেছে সেই এলাকায় তল্লাশি চালিয়েছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের অনুরোধে ৯ জুলাই এনডিআরএফ সাত কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা সার্চ করে, কিন্তু স্নেহার কোনো খোঁজ মেলেনি। তার কাছে কোনো ব্যাগ বা জিনিস ছিল না, কেবলমাত্র একটি মোবাইল ফোন ছিল। গত চার মাসে তিনি কোনো নগদ টাকা তুলেননি এবং তার ব্যাংক ব্যালেন্স অপরিবর্তিত রয়েছে।

অদ্ভুত ব্যাপার হল, স্নেহা নিখোঁজ হওয়ার ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় পার হলেও একটি প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন (এফআইআর) দায়ের করা হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, যদি সিগনেচার ব্রিজের আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো সচল থাকত, তাহলে হয়তো এতদিনে তার সন্ধান পেতে পারতেন।

সরাই রোহিলা স্টেশন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সিগনেচার ব্রিজ উত্তর দিল্লির ওয়াজিরাবাদকে রাজধানীর উত্তর-পূর্ব অংশের সাথে সংযুক্ত করে।

পুলিশ স্নেহার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণের মামলা রুজু করেছে।
স্নেহার অসুস্থ বাবা-মা এবং পরিবারের সদস্যরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে জনসাধারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..